জাস্টনাউবিডি২৪
সীমান্ত পাহারাদার বাহিনীর প্রধান যখন গরু পাচারের সাথে সকল সীমান্ত হত্যার সংযোগ ঘটিয়ে, সীমান্ত ছেড়ে দেশের অভ্যন্তরে মোতায়েন হবার রাজনৈতিক দ্বায়িত্ব দেখিয়ে দেন, তখন সশস্ত্র এ নেতার পেছনে রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ের বৈধ কোন কারন থাকতে পারেনা। দ্বায়িত্ব গ্রহণের ৩ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে গতকাল (৬ ডিসেম্বর ২০১৫) রাজধানীতে অবস্থিত বিজিবি হেডকোয়ার্টার পিলখায় সংবাদ সম্মেলন করে এ নেতা বললেন, 'গরু পাচার বন্ধ হলেই সীমান্ত হত্যাও বন্ধ হবে'। খোদ বাংলাদেশী সীমান্তরক্ষী প্রধান 'পশু লেনদেনের দামে' যখন সীমান্তের নিয়মিত গণহত্যার বৈধতা মূল্যায়ন করেন, তখন তাকে আরএসএস এর বাংলাদেশী মুখপাত্র হিসেবেও দেখা যায়। দ্বায়িত্বের পাইকারী বাজারে ঢুকে এই যখন তার অবস্থান, তখন কেবল রাজনৈতিক নেতা, আরএসএস মুখপাত্রতেই সীমাবদ্ধ থাকবেন কেন? সাথে সাম্রাজ্যবাদী ইন্ডিয়ান দূতালীও করে দিলেন পোষাকী এই সীমান্ত দারোয়ান।
দালালীর তো সীমা থাকে, তিন তিনটা বৎসর একটা বাহিনীর প্রধান থাকার আহ্লাদী অতিসহ্যে দালালীর মাত্রাও ছাড়িয়ে গেল এদিন।
